দীনদার ছেলের কালো বউ (পর্বঃ০২ )

Update

6/Update/Trecar-posts

Header Ads Widget

দীনদার ছেলের কালো বউ (পর্বঃ০২ )

 

islamic golpo

bangla golpo

Beautiful Islamic stories are uploaded on this website

( কিছু কথা বলি,,আমার গল্প গুলোতে আমি শিক্ষনীয় কিছু তুলে ধরার চেষ্টা করি।আলহামদুলিল্লাহ ।ভালো লাগলে কপি বা শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে পারেন।যদি ভালো লাগে শিক্ষনীয় কিছু)
পরের দিন,
কলেজে আবীর কে দেখে সবাই অবাক।কারন আবীর আজ সিম্পল ড্রেসে আসে নি।আজ আবীর কলেজে জুব্বা ও মাথায় সাদা টুপি পড়ে এসেছে। সবাই তো অবাক এ কোন হুজুর আসলো,,
( এরা অবাক হোক,আর আমরা জেনে আসি কেনো আবীর হঠাৎ আজ জুব্বা ও মাথায় সাদা টুপি পড়লো।
কাল বাড়ি যাওয়ার পর আবীর এক হুজুর কে দেখলো,,যে সে খারাপ কাজ গুলোকে এভয়েড করার চেষ্টা করছে,,তারপর ভাবলো সে তো সুন্নাতী লেবাসে আছে। যখন পাপের কথা মনে হচছে তার জুব্বা ও টুপি স্মরণ করিয়ে দিচছে এটা ঠিক না।আল্লাহ দেখছেন,
তাই যখন আল্লাহর স্মরনের সামগ্রী সাথে থাকে তখন আল্লাহ কে স্মরন হয় আর পাপ কাজ থেকে দুরে থাকা যায়,,তাই আবীর ভাবলো আমি তো কলেজে পড়ি,কত বেগানা নারী, আমি যদি জুব্বা ও টুপি পড়ি,তাহলে হয়তো সবসময় আমার আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লার কথা মনে থাকবে আর পাপ হবে না। তাই আবীর সিদ্ধান্ত নিলো কাল থেকে কলেজে জুব্বা ও টুপি পড়বো।তাছাড়া কলেজে তেমন কোনো ফিক্সড ড্রেস নেই।তাছাড়া আবীর বাড়ি অধিকাংশ সময় সুন্নাত লেবাসে চলে,,,আর সুন্নাত মানতে কিসের ভয়?)
তারপর কলেজে ঢুকার পর,,
লিমনঃ আরে দোস্ত,, আজ এটা কি পড়েচিস তু?
আবীরঃ কেনো? জুব্বা ও টুপি। যা আমাকে খারাপ কাজ থেকে দুরে রাখবে ইং শা আল্লাহ।
সাব্বিরঃ ওওও,,তা হঠাৎ এমন করলি?
আবীরঃ ভাই আলহামদুলিল্লাহ, এখন সুন্নাতের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি,তো চল ক্লাসে যায়।
লিমনঃ হুমম চল।

islamic golpo 2021

তারপর ক্লাসে গেলো,সব ফ্রেন্ড তাকিয়ে আছে,কত জনে কত মন্তব্য করছে,কত প্রশ্ন করছে,,বাট আবীর মনে কিছু নিচছে না বিকজ এটা রসুল সঃ এর সুন্নাহ।তারপর ক্লাসে একটু পেছনের দিকে বসলো।
এদিকে আয়েশা ও চলে এসেছে পরিপূর্ণ পর্দায়, এসে ক্লাসে নজর পড়লো জুব্বাওয়ালা আবীরের ওপর।মা শা আল্লাহ বলতে দেরি হলো না কারন এমন খুব কম ছেলেরাই আছে যারা এমন লেবাসে থাকে।তরপর ও আবীরের ঘন দাড়িটা আরো ভালো লাগলো।আবীর কে দেখেই মনে খুব ভালো লাগলো। আয়েশা ও তার বান্ধবীদের কাছে বসলো।
তারপর একে একে ক্লাস শুরু হলো।স্যারেরা ও আবীরকে নানা কথা বলছিলো বাট আবীর একদম অটল।
একে একে ক্লাস শেষ।তারপর কলেজ ছুটি হতে হতে যোহরের আযান দিলো। আবীর ভাবলো নামাজ টা পড়ে যায়, এই মাসজিদ থেকে,,সাথে সাব্বির,লিমন ও সোহান ছিলো।
আবীরঃ দোস্ত, চল আযান দিচছে নামাজটা পড়ে আসি।
সাব্বিরঃ আরে দোস্ত,, আজ না রে কাল পড়বো( এভাবেই শয়তান আমাদের ধোকা দেয়)
আবীরঃ আচছা।দোস্ত কাল যে তুই বাচবি তার কোনো গ্যরান্টি আছ?
সাব্বিরঃ না।
আবীরঃ তাহলে আজ ই পড়, আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লা সলাত কে ফরজ করেছে।আর এটা তরফ করা কি ঠিক।সলাত হলো মুমিন ও কাফের এর মধ্যে পার্থক্যকারী।দোস্ত চলনা নামাজ টা পড়েই আসি।
সাব্বিরঃ হুমম❤️ঠিক বলেছিস দোস্ত।। চল নামাজে যায়।
সাথে ২ জন ও গেলো।
আবীর আরো কিছু ফ্রেন্ড কে নামাজে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলো বাট পারলো না।
তারপর ৪ বন্ধু ওযু করে নামাজের জন্য গেলো।
এদিকে আয়েশা ও বাড়ি চললো তার বান্ধবী দের সাথে,,পথে দেখলো আবীরকে মসজিদে যেতে। ভালো লাগলো।তারপর তার বান্ধবী দের কিছু মাসালা দিতে দিতে বাড়ি গেলো একটু তাড়াতাড়ি কারন বাড়ি গিয়ে নামাজ পড়তে হবে,,,তার বান্ধবী দের কেও নামাজের দাওয়াত দিলো।।

islamic bangla golpo

তারপর বাড়ি গিয়ে নামাজ পড়ে নিলো।তারপর বোনের কাছে গেলো,, নাম রাবিয়া।ক্লাস টেনে পড়ে।
,,ওর বোন রাবিয়া ওকে দেখতে পারতো না।কারন আয়েশা কালো ছিলো আর রাবিয়া সুন্দর। যদিও রাবেয়া অহংকার করে আয়েশাকে নানা কথা শুনাতে তবুও আয়েশা কিচু মনে করতো না বরং আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লার কাছে দোয়া করতো ওর বোনের জন্য,,
রাবিয়া ছিলো আয়েশার উল্টা।
এদিকে,,,আবীর ও বন্ধুরা নামাজ শেষে বের হলো।
সাব্বিরঃ সত্যিই আজ নামাজ পড়ে খুব ভালো লাগলো।
আবীরঃ হুমমম,পাচ ওয়াক্ত পড়বি দোস্ত!
সাব্বিরঃ হুমমম ইং শা আল্লাহ।
লিমনঃ হুম,চেষ্টা করবো।
আবীরঃ চল বাড়ি যায়,,
লিমনঃ হুমমম।
আবীরঃ ফি আমানিল্লাহ। কাল দেখা হবে ইং শা আল্লাহ
সোহানঃ হুমম দোস্ত।
এবার আবীর বাড়ি গেলো।বাড়ি গিয়ে ভাবলো কাল তো আয়্যেমে বীজের রোযা শুরু। তাই মাকে বলে রাখলো।কাল রোযা রাখবে। আরবী মাসের ১৩,১৪,১৫ তাড়িখে রাখতে হয়,,,,
তার বাবা একজন মাদ্রাসার শিক্ষক। পরিবার টা ইসলামের আইন মতেই চলে।
তারপর সেহেরির এলার্ম দিলো। আর রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়লো।
এরপর সেহেরি খেয়ে, মসজিদ থেকে,নামাজ পড়ে,কোরআন তিলাওয়াত করে,ইশরাকের নামাজ পড়ে বাড়ি আসলো।
তারপর আবীর বাড়ি একটু পড়লো।
আয়েশা ও নিয়মিত ফজরের নামাজের পর কোরআন তিলাওয়াত করে,,,
রেহেনা( আবীরের মা)-ঃ বাবা তোর কলেজ কেমন চলছে?
আবীরঃ আলহামদুলিল্লাহ মা।অনেক ভালো।
রেহেনাঃ বাবা তুই এই সুন্নাতী পোশাকে যাশ কোনো সমস্যা হয়?
আবীরঃ না মা।আলহামদুলিল্লাহ কোনো সমস্যা নেই।
রেহেনাঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো।সময় হয়েছে?
আবীরঃ হুম,যাবো।
রেহেনাঃ হুম যাওয়ার দোআা ও আয়তুল কুরসি পাঠ করতে ভুলিস না।
আবীরঃ জি মা।
এদিকে আয়েশা রেডি হচছে,,,
রাবেয়াঃ তুই যে কেনে এসব পড়িস এই গরমে,,,পাগল আছিস,জীবন তো একটাই,লেটস ইনজয়,
আয়েশাঃ না রে,,আখিরাতের কথা ভুললে চলবে না,,,কারন এটা পরীক্ষা স্বরুপ,,,তাই পাশ করে জান্নাতে যেতে হবে।
রাবেয়াঃ রাক তোর হুজুর টাইপের কথা।
আয়েশা কি আর বলবে কিছু বলল না।
মা আসি।।
নাছরিন( আয়েশার মা) ঃ হুমম,সাবধানে যাবি,,,আর তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবি।
আয়েশাঃ আল্লাহ হাফিজ।
এভাবে চলছে দিনগুলো,,,এর মধ্যে,,,,,,,,,
চলবে???
ইং শা আল্লাহ।
প্রিয় দীনি ভাই ও বোন।আমি সাধারণত রাতে গল্প লিখি,,তাই রাতে আপনার রেডি থাকতে পারেন।
কেমন হচছে জানাতে ভুলবেন না।আপনারা যত উৎসাহ দিবেন আমি তত ভালো করবো ইং শা আল্লাহ
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹

Post a Comment

0 Comments