Bangla Golpo
বেশ কয়দিন হলো কলেজ খুলেছে।আবীর আজ একটু তাড়াতাড়ি কলেজে পৌছে গেলো।সে তার চোখ দুটোকে যথাযথ সংযত রেখেই কলেজে প্রবেশ করলো।কারন বর্তমান যুগে ফেতনার ছড়ানোর অন্যতম স্থান কলেজ।আবীর নিজেকে পরিপূর্ণ ভাবে প্রস্তুত করেছে,যে কোনো বেগানা নারীকে সে দেখবে না।
তো যাইহোক প্রবেশ করতেই,,বন্ধুদের সাথে সাক্ষাৎ,
আবীরঃ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারঅকাতুহ। কেমন আছিস দোস্ত?
( এখানে তার স্কুল লাইফের ফ্রেন্ড লিমন,সাব্বির,সোহান ছিলো)
লিমনঃ আরে দোস্ত কখন আসলি,ওয়েট করছি তোর জন্য,,
আবীরঃ দোস্ত এটা কি হলো,আমি তোকে সালাম দিলাম,,আগে ওয়াজিব পালন না করে অন্য কথা বললি,,আচছা তুই জানিস সালাম মুসলিমের জন্য ওপর মুসলিমের কত বড় দোয়া।যখন তোকে বললাম,আসসালামু আলাইকুম, তখন হলো তোর উপর শান্তি বর্ষিত হোক,তারপর ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারঅকাতুহ, অর্থাৎ রহমত ও বরকত কামনা করলাম।ভেবে দেখ তো এটা কি বড়ো দোয়া নই?
সাব্বিরঃ হুমম,দোস্ত বুঝলাম।
লিমনঃ ওয়া আলাইকুমুসসালাম।
আবীরঃ তারমানে তুই ও দোয়া করলি।যাইহোক,কেমন আছিস সবাই?
সাব্বিরঃ হুমম,ভালো।
আবীরঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো। বলবি। দোস্ত,,
সোহানঃ হুমম, আলহামদুলিল্লাহ, আচছা এটা কেনো বলি?
আবীরঃ কারন এটা বললে আমরা
bangla new golpo
আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআ'লার প্রসংশা আদায় করি।কারন তিনি ভালো রাখার মালিক।কেমন?
লিমনঃ হুমম বুজলাম।
কিছুক্ষণ কথা বলার পর,,
সাব্বিরঃ দোস্ত কলেজে কত নতুন মেয়ে আসছে,,,মনে হচছে একটারে বিয়ে কইরা ফেলি!!
লিমনঃ তুই কেমন মেয়ে বিয়ে করবি বল?
সাব্বিরঃ আরে বুঝছিস না,,মডার্ন যুগের এই মেয়ে। ওও সেই হবে তাইনা??
আবীরঃ না দোস্ত।মডার্ন মেয়ে বিয়ে করে কি হবে? সে তোকে না হয় ৪০ বছর তোর সাথে থাকবে তারপর? আর হ্যা আমাদের বিবাহের সময় ৪ টা বিষয় দেখতে তার মধ্যে দীনদারতা প্রধান।আর এটা কোনো সাধারণ বিষয় নয়,,,যে তোর দীনকে পুর্ন করবে তাকে অবশ্যই দীনদার হতে হবে। এমন মেয়ে কে বিয়ে করবি যে তোকে জান্নাত পর্যন্ত নিয়ে যাবে।কারন যে দীনদার জীবনসঙ্গী পেলো সে যেনে জান্নাতের সিড়ি পেলো।তাহলে কি চাস?
সাব্বিরঃ হুমম,দোস্ত এভাবে ভাবিনি রে,তুই তাহলে এমন মেয়ে বিয়ে করবি তাইতো?
আবীরঃ জি ইং শা আল্লাহ তাআ'লা.
ঠিক তখন,,,গাড়ী থেকে একটা মেয়ে বের হলো,,
একদম পরিপূর্ণ পরদার সহিত।চোখ ২ টাও ঢাকা।ঘাড়ে একটা ব্যাগ নিয়ে ধীর গতীতে মাথা নিচু করে আবীর দের দিকে আসছে,,
লিমনঃ আবীর তোর মহারানী হাজীর😁😁😁😁
সাব্বিরঃ একদম আবীরের মনের মতো।
ঠিক তো?
আবীরঃ মা শা আল্লাহ। আরে কি যে বলিস,,,চল ক্লাসে যায়,,,,
সোহানঃ হুমমম,চল।
এরা কলেজে যাক,,আর পরিচয়টা....
( আরে পরিচয়টাও এখনো ভালো ভাবে দেওয়া হলো না আর আমি লিখেই যাচছি।আবীরের ফুল নাম মাহমুদ হাসান আবীর।এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে,, বাবা মায়ের দুই ছেলের মধ্যে বড়,ছোট ভাই হাফেজি পড়ছে,,আর সাথে ওর ফ্রেন্ড ছিলো।
আর এই যে পর্দাশীল মেয়েকে দেখলেন নাম আফিয়া জান্নাত আয়েশা।আজ প্রথম কলেজে আসলো,,,এরা ২ বোন,,)
এবার আবীর ও তার বন্ধগন ক্লাসে ঢুকে একজায়গায় বসল।
আর এদিকে,
আয়েশা ওর স্কুল লাইফের বান্ধবী গুলোরে খুজছে বাট না পেয়ে ক্লাসে চলে গেলো,,,ক্লাসে ঢুকতেই,,,
আয়েশা ওর বান্ধবী মিতু ও সুমিকে দেখলো,,
আয়েশাঃ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ,,,
মিতুঃ ওয়া আলাইকুমুসসালাম। আরে আন্টি আপনি কাকে খুজছেন?
আয়েশাঃ আরে মিতু আমি তো আয়েশা।ভুলে গেলি?
সুমিঃ আয়েশা তুই?? এইরকম খ্যাত মার্কা ড্রেস এ,,
মিতুঃ আরে আয়েশা,,,,,তোকে চিনাই কষ্ট। পরে কথা বলি এ নিয়ে,,আগে বল কেমন আছিস?
আয়েশাঃ আলহামদুলিল্লাহ আ'লা কুল্লি হাল। ভালো তোরা কেমন আছিস?
মিতুঃ হুম,ভালো।
কথা বলতে বলতে স্যার হাজির,,
এবার স্যার পরিচয় পরিচিতি শুরু করলো,,
একে একে শেষ হলে আয়েশার সময় এলো,স্যার কিছুটা থমকে গেলো,,তারপর আয়েশা কে দাড়ান করালো,,,তারপর সবাই আয়েশা কে দেখে অবাক,,তখন আবীর ও দেখলো সে একই ক্লাসে,,আবীরের খুব ভালো লাগছে আয়েশা কে দেখে কারন এমন পর্দা বর্তমানে তেমন নেই,ই,,
ভালো লাগলো খুব আর এই ভালো লাগা আল্লাহর জন্য,,
স্যারঃ তোমরা দেখো এই গরমে মেয়েটা কত কষ্ট করে পর্দা মেইনটেইন করছে,,,তোমরা কেনো পারো না?
তোমার নাম কি?
আয়েশাঃ আফিয়া জান্নাত আয়েশা,
স্যারঃ মা শা আল্লাহ। ভালো, কত পয়েন্ট ছিলো?
আয়েশাঃ জিপিএ ৫.
স্যারঃ হুম বসো।
সবাই তো অবাক,,
লিমন ও সাব্বির কিছু বলতে চাচছিলো বাট হলো না,,
ক্লাস শেষ হলো,,, আজ ১ম ক্লাসেই শেষ,,,
শেষ হলে,,
সুমিঃ আচছা আয়েশা তুই গরমে এই বস্তা কিভাবে পড়ে আছিস?
আয়েশাঃ আসলে,,,, এটা বস্তা না, এট ফরজ বিধান। নিজেকে সুরক্ষিত রাখার হাতিয়ার।আল্লাহর বিধান।আমি যদি এটা না পড়ি তাহলে নন মাহরাম রা আমাকে দেখবে আর আমার ও গুনাহ হবে যারা দেখবে তাদের ও।আর এই সামান্য গরম তোরা এমন করছিস,তাহলে জাহান্নামের তাপ কিভাবে সহ্য করবি।কয়দিনের দুনিয়ায় আখিরাত কে ভুলে নিজের উপর জুলুম করা কি ঠিক? আর পর্দায় থাকলে ফেরেস্তাও দোয় করবে,,,
বুঝলি?
সুমিঃ হুমমম,,,,রে সত্যিই ভুলের মধ্যে আছি,,
আয়েশার কথা গুলো আবীর হালকা শুনে ফেললো,যাওয়ার সময়,আর ভাবলো সত্যিই ইনি খুব ভালো। আল্লাহর কাছে দোয়া করলো যেনো এমন একজনকে পায়।
মিতুঃ হুমম,,, তাহলে চল বাসায় যায়,,,
তারপর চললো,
এদিকে লিমন ও সাব্বির তো মজা নিচছে,,আবীরের থেকে,,,
( বন্ধরা কেমন হয়,আপনারা তো বোঝেনই,,😁😁)
তারপর আবীর বাসায় গেলো,,,।
পরের দিন,,,
চলবে??????
ইং শা আল্লাহ।
আর হ্যা বলে রাখি পর্ব ছোট ছোট হতে পারে,,ডন্ট মাইন্ড।
কেমন হলো অবশ্যই জানাবেন।না হলে লেখকের গল্প লেখার মন মানসিকতা হারিয়ে যেতে পারে।।
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹Bangla Golpo

1 Comments
এই গল্প টাও মনে হয় সুন্দর হবে য়াই না
ReplyDeleteকমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ.........।